Free

৫৫তম জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭

Administrator 10 August 2026

বাংলাদেশের ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা প্রাক্কলিত জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১১ জুন ২০২৬ বাজেটটি উপস্থাপন করেন এবং ৩০ জুন জাতীয় সংসদে তা পাস হয়। বাজেটের প্রতিপাদ্য—“গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির পথে যাত্রা”। এতে ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও ৭.৫ শতাংশ মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি এবং ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা বা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, কৃষি, কর্মসংস্থান, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তবে উচ্চ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা এবং বড় এডিপি বাস্তবায়নই বাজেটটির প্রধান চ্যালেঞ্জ।

১. মৌলিক পরিচিতি

বিষয়তথ্য
অর্থবছর১ জুলাই ২০২৬–৩০ জুন ২০২৭
বাজেট উপস্থাপন১১ জুন ২০২৬
সংসদে পাস৩০ জুন ২০২৬
উপস্থাপকঅর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
বাজেটের আকার৯,৩৮,০০০ কোটি টাকা
জিডিপির অংশ১৩.৭%
প্রাক্কলিত নামমাত্র জিডিপি৬৮,৩০,০২৪ কোটি টাকা
প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য৬.৫%
মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য৭.৫%
প্রতিপাদ্যJourney Towards a Democratic, Humane and Inclusive Economy

এটি বাংলাদেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট, নির্বাচিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট এবং বর্তমান অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেট। বাজেটটি বর্তমানে আর “প্রস্তাবিত” নয়—৩০ জুন পাস হয়েছে। সরকারি বাজেট বক্তৃতা, বাজেট পাসের প্রতিবেদন

২. আয়, ব্যয় ও ঘাটতি

খাতকোটি টাকা
মোট রাজস্ব আয়৬,৯৫,০০০
└ NBR কর৬,০৪,০০০
└ Non-NBR কর২৫,০০০
└ করবহির্ভূত আয়৬৬,০০০
মোট ব্যয়৯,৩৮,০০০
পরিচালন ও অন্যান্য ব্যয়৬,২১,৯২৫
মোট উন্নয়ন ব্যয়৩,১৬,০৭৫
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি—ADP৩,০০,০০০
বাজেট ঘাটতি২,৪৩,০০০
ঘাটতি–জিডিপি অনুপাত৩.৬%

ঘাটতি অর্থায়ন

  • অভ্যন্তরীণ উৎস: ১,২৭,০০০ কোটি টাকা

  • বৈদেশিক উৎস ও অনুদান: ১,১৬,০০০ কোটি টাকা

  • অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা: ১,১২,০০০ কোটি টাকা

  • ব্যাংকবহির্ভূত উৎস: ১৫,০০০ কোটি টাকা

দেশীয় ঋণের সুদে ১,০৫,০০০ কোটি এবং বৈদেশিক ঋণের সুদে ২২,৫০০ কোটি—মোট ১,২৭,৫০০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। অর্থাৎ সুদ পরিশোধেই বাজেটের প্রায় ১৩.৬ শতাংশ ব্যয় হবে। সরকারি বাজেট কাঠামো

ভাইভা সতর্কতা: মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩,১৬,০৭৫ কোটি টাকা; কিন্তু ADP ৩,০০,০০০ কোটি টাকা। দুটি এক নয়।

৩. এডিপির প্রধান খাত

এডিপি খাতবরাদ্দএডিপির অংশ
পরিবহন ও যোগাযোগ৫০,০৯২.৫৩ কোটি১৬.৭০%
শিক্ষা৪৭,৫৯১.১২ কোটি১৫.৮৬%
স্বাস্থ্য৩৫,৫৩৫.৫০ কোটি১১.৮৪%
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি৩২,৬৯১.৫৪ কোটি১০.৯০%
গৃহায়ণ ও কমিউনিটি সুবিধা২০,৩৬১.৭২ কোটি৬.৭৯%

এডিপির ১,৯০,০০০ কোটি টাকা সরকারি অর্থায়ন এবং ১,১০,০০০ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে আসার কথা। এডিপির সরকারি বিবরণ

৪. মানবসম্পদ ও সামাজিক খাত

শিক্ষা

বিস্তৃত শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ১,৩৬,৬০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির প্রায় ২ শতাংশ। তবে তিনটি মূল শিক্ষা মন্ত্রণালয়/বিভাগের সম্মিলিত বরাদ্দ প্রায় ১,২২,৪৯৬ কোটি টাকা। বিস্তৃত শিক্ষা খাতে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যয়ও অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় অঙ্কের পার্থক্য হয়।

স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ খাতে বিস্তৃত বরাদ্দ ৬৯,৪০৯ কোটি টাকা, জিডিপির প্রায় ১.০২ শতাংশ। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, রোগ প্রতিরোধ, মাতৃ ও শিশুসেবা, টিকাদান, অসংক্রামক রোগ শনাক্তকরণ এবং দেশীয় চিকিৎসা-সরঞ্জাম শিল্পকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বরাদ্দ

সামাজিক নিরাপত্তা

সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীতে বরাদ্দ ১,৪৪,৩৩৮ কোটি টাকা। গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন:

  • বয়স্ক ভাতা: মাসে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা; উপকারভোগী ৬২ লাখ।

  • বিধবা ও স্বামী-নিগৃহীতা নারী ভাতা: ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা; উপকারভোগী ৩০ লাখ।

  • প্রতিবন্ধী ভাতা: ৯০০ থেকে ১,০০০ টাকা; উপকারভোগী ৩৮ লাখ।

  • প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের স্তরভেদে মাসিক উপবৃত্তি ১,০০০–১,৪০০ টাকা।

  • ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের সরকারি ট্রেনে ভাড়া মওকুফ এবং মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ছাড়ের প্রস্তাব।

  • সামাজিক সহায়তা বিতরণে Single Registry, Dynamic Social Registry ও G2P ব্যবস্থার ওপর জোর। সামাজিক সুরক্ষার সরকারি বিবরণ

৫. আলোচিত বিশেষ কর্মসূচি

ফ্যামিলি কার্ড

  • ৪১ লাখ নারী/নারী-প্রধান পরিবারকে কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য।

  • মাসিক সহায়তা ২,৫০০ টাকা।

  • বরাদ্দ ১৪,৫০০ কোটি টাকা।

  • মায়ের বা নারী-প্রধানের নামে কার্ড।

  • ২০৩০ সালের মধ্যে “Universal Social ID Card”-এ রূপান্তরের লক্ষ্য।

কৃষক কার্ড

  • ১০০ উপজেলায় ৪২.৫ লাখ কার্ড বিতরণের লক্ষ্য।

  • ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষককে বছরে এককালীন ২,৫০০ টাকা।

  • প্রাথমিক বরাদ্দ ১,০৬২.৫ কোটি টাকা।

  • মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি ও লবণচাষিও অন্তর্ভুক্ত। ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের বিবরণ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান

  • শহীদ পরিবারের মাসিক ভাতা: ২০,০০০ টাকা।

  • আহতদের A, B ও C শ্রেণিতে যথাক্রমে ২০,০০০, ১৫,০০০ ও ১০,০০০ টাকা।

  • মোট উপকারভোগীর লক্ষ্য ১৬,৫১৩ জন।

  • শহীদ পরিবার ও স্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতা হারানো জুলাই যোদ্ধাদের আবাসনের জন্য ৩০০ কোটি টাকা।

৬. আয়কর ও ভ্যাটের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন

করমুক্ত আয়সীমা

করদাতাকরমুক্ত সীমা
সাধারণ ব্যক্তি৩,৭৫,০০০ টাকা
নারী ও ৬৫ বছরোর্ধ্ব৪,২৫,০০০ টাকা
তৃতীয় লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি৫,০০,০০০ টাকা
যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা৫,২৫,০০০ টাকা

সাধারণ করদাতার পরবর্তী ধাপগুলো ১০%, ১৫%, ২০%, ২৫% এবং সর্বোচ্চ ৩০%। ভবিষ্যৎ করনীতি পূর্বানুমানযোগ্য করতে পাঁচ বছরের ব্যক্তিগত আয়কর রোডম্যাপ দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য ব্যবস্থা:

  • চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, মাছ, লবণ, চিনি ও ভোজ্যতেলসহ ৬০টি নিত্যপণ্যে উৎসে কর কমিয়ে ০.৫ শতাংশ।

  • ব্যাংক আমানতে আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকা।

  • নিবন্ধিত স্টার্টআপের সেবা, ভাড়া ও আমদানিকৃত সেবার ১৫% ভ্যাট ২০৩৫ সাল পর্যন্ত মওকুফ।

  • কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারের সেবায় ১৫% ভ্যাট প্রত্যাহার।

  • প্রতি মোবাইল সিমে ৩০০ টাকার নির্দিষ্ট কর প্রত্যাহার।

  • বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কয়েক ধরনের বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর ১৫% থেকে ১০%। সরকারি কর প্রস্তাব

৭. বাজেটের ১০টি কৌশলগত অগ্রাধিকার

১. অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন
২. সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
৩. সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা
৪. বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উৎপাদননির্ভর অর্থনীতি
৫. নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ ও সহজ ব্যবসায় পরিবেশ
৬. আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা
৭. জ্বালানি নিরাপত্তা
৮. ডিজিটাল রূপান্তর ও আইসিটি
৯. জীবন, প্রকৃতি, পরিবেশ ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা
১০. স্বচ্ছ, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান

দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করাবাজেটের লক্ষ্য ও অগ্রাধিকার

৮. চিন্তামূলক মূল্যায়ন

ইতিবাচক দিক

  • শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বড় ধরনের বরাদ্দ বৃদ্ধির মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্ব।

  • ঘাটতি জিডিপির ৩.৬ শতাংশে সীমিত রাখা তুলনামূলকভাবে সংযত।

  • ব্যাংকঋণের লক্ষ্য সংশোধিত আগের বছরের ১,১৮,০০০ কোটি থেকে ১,১২,০০০ কোটিতে নামানো হয়েছে।

  • ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, G2P ও Dynamic Social Registry সামাজিক সহায়তার লক্ষ্যভিত্তিকতা বাড়াতে পারে।

  • করনীতির পাঁচ বছরের রোডম্যাপ বিনিয়োগকারীদের পূর্বানুমানযোগ্যতা দিতে পারে।

  • স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল অর্থনীতি ও সৃজনশীল অর্থনীতিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

প্রধান ঝুঁকি

  • রাজস্ব বাস্তবায়ন: CPD-এর হিসাবে ২০২৫–২৬ সালের সম্ভাব্য প্রকৃত রাজস্ব সংগ্রহ থেকে নতুন লক্ষ্য অর্জনে প্রায় ৫৪.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন হতে পারে। তাই ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকার লক্ষ্য অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী। CPD বাজেট বিশ্লেষণ

  • এডিপি বাস্তবায়ন: আগের অর্থবছরের সংশোধিত এডিপি ২ লাখ কোটি থেকে এবার ৩ লাখ কোটি করা হয়েছে; অথচ এপ্রিল পর্যন্ত আগের এডিপি বাস্তবায়ন ছিল মাত্র ৪০.৭ শতাংশ।

  • প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য: ২০২৫–২৬ অর্থবছরের BBS-এর সাময়িক প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন ৪.১৪ শতাংশের বিপরীতে ৬.৫ শতাংশ লক্ষ্য বেশ উচ্চ।

  • মূল্যস্ফীতি: উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতি চলমান থাকলে শুধু মুদ্রানীতি দিয়ে ৭.৫ শতাংশে নামানো কঠিন হতে পারে।

  • সুদ ব্যয়ের চাপ: সুদে ১,২৭,৫০০ কোটি টাকা ব্যয় শিক্ষা খাতের মোট বরাদ্দের কাছাকাছি—এটি সংকুচিত রাজস্ব-পরিসরের লক্ষণ।

  • বৈদেশিক অর্থায়ন: বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের বড় লক্ষ্যমাত্রা সময়মতো অর্থ ছাড়, বিনিময় হার ও ঋণ পরিশোধের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

  • বরাদ্দ বনাম ফলাফল: শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বরাদ্দ বাড়লেও প্রকল্প নির্বাচন, ক্রয়ব্যবস্থা, জনবল এবং বাস্তবায়ন সক্ষমতা উন্নত না হলে কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না।

সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত ভাইভা প্রশ্ন

প্রশ্ন: বাজেটটি সম্প্রসারণমূলক না সংকোচনমূলক?
উত্তর: ব্যয় ও এডিপির বড় বৃদ্ধির কারণে এটি সম্প্রসারণমূলক; তবে ঘাটতি ৩.৬ শতাংশে সীমিত রাখা ও ব্যাংকঋণ কিছুটা কমানোর লক্ষ্য একে আংশিকভাবে সংযত করেছে।

প্রশ্ন: বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?
উত্তর: রাজস্ব সংগ্রহ এবং তিন লাখ কোটি টাকার এডিপির সময়মতো ও মানসম্মত বাস্তবায়ন।

প্রশ্ন: বাজেটটি কি মূল্যস্ফীতিবান্ধব?
উত্তর: সামাজিক ভাতা ও নিত্যপণ্যে কর হ্রাস নিম্নআয়ের মানুষকে সহায়তা করবে; কিন্তু বড় সরকারি ব্যয় চাহিদা বাড়ালে মূল্যস্ফীতির চাপও সৃষ্টি করতে পারে। তাই উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধি জরুরি।

প্রশ্ন: বাজেটকে অন্তর্ভুক্তিমূলক বলা হচ্ছে কেন?
উত্তর: ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, সামাজিক ভাতা, জুলাই যোদ্ধা সহায়তা, নারী-প্রধান পরিবারের নামে কার্ড এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য বর্ধিত সুবিধার কারণে।

প্রশ্ন: আপনার সামগ্রিক মূল্যায়ন কী?
উত্তর: “বাজেটটি মানবসম্পদ ও সামাজিক সুরক্ষার দিক থেকে উচ্চাভিলাষী এবং নীতিগতভাবে ইতিবাচক; তবে এর সাফল্য নির্ভর করবে বাস্তবসম্মত রাজস্ব সংগ্রহ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির ওপর।”