বাংলাদেশে কোন মামলা কোন আদালত বিচার করবে—এটি মূলত মামলার প্রকৃতি, সংশ্লিষ্ট আইন, অপরাধের শাস্তি, দেওয়ানি মামলার মূল্যমান এবং বিশেষ আইনে আলাদা আদালত নির্ধারিত আছে কি না—এসবের ওপর নির্ভর করে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২৮–২৯ ধারাতেও বলা হয়েছে, দণ্ডবিধির অপরাধ সংশ্লিষ্ট তফসিল অনুযায়ী এবং বিশেষ আইনের অপরাধ সেই আইনে নির্ধারিত আদালতে বিচার হবে।
১. দেওয়ানি আদালত — Civil Court
জমি, সম্পত্তি, টাকা-পয়সা, চুক্তি, মালিকানা, দখল, বণ্টন, নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি ব্যক্তিগত অধিকারসংক্রান্ত মামলা সাধারণত দেওয়ানি আদালত বিচার করে।
বর্তমানে দেওয়ানি আদালতের স্তর হলো—Civil Judge → Senior Civil Judge → Joint District Judge → Additional District Judge → District Judge। ২০২৫ সালের সংশোধনে পুরোনো “Assistant Judge” ও “Senior Assistant Judge” নাম পরিবর্তন করে যথাক্রমে Civil Judge ও Senior Civil Judge করা হয়েছে।
| আদালত | সাধারণত কী ধরনের মামলা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| Civil Judge Court | সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা মূল্যমানের দেওয়ানি মামলা | ১০ লাখ টাকা মূল্যের জমির স্বত্ব/দখল মামলা |
| Senior Civil Judge Court | সাধারণত ১৫ লাখের বেশি থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত | ২০ লাখ টাকা মূল্যের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ |
| Joint District Judge Court | সাধারণত ২৫ লাখ টাকার বেশি মূল্যমানের মূল দেওয়ানি মামলা | ১ কোটি টাকার সম্পত্তির বণ্টন/স্বত্ব মামলা |
| Additional District Judge Court | District Judge কর্তৃক স্থানান্তরিত মামলা/আপিল | জেলা জজ কর্তৃক পাঠানো দেওয়ানি আপিল |
| District Judge Court | প্রধানত দেওয়ানি আপিল, রিভিশন এবং বিশেষ এখতিয়ার | নিম্ন দেওয়ানি আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল |
Civil Courts Act অনুযায়ী Civil Judge-এর আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লাখ এবং Senior Civil Judge-এর সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা। CPC-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী মামলা সম্ভব হলে সর্বনিম্ন যোগ্য আদালতেই করতে হয়।
উদাহরণ: আপনার ১২ লাখ টাকা মূল্যমানের জমি কেউ অবৈধভাবে দখল করেছে—স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের মামলা সাধারণত Civil Judge Court-এ হবে।
২. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত — Magistrate Court
ফৌজদারি মামলার একটি বড় অংশ বিচার করেন Judicial Magistrate বা মহানগর এলাকায় Metropolitan Magistrate।
ফৌজদারি আদালত প্রধানত দুই শ্রেণির—
(ক) Court of Session এবং (খ) Court of Magistrates।
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাধারণত অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর এবং আইনে Magistrate-triable হিসেবে নির্ধারিত অপরাধের বিচার হয়।
উদাহরণ:
সাধারণ মারধর—Penal Code ৩২৩
সাধারণ চুরি—৩৭৯
Criminal trespass-এর কিছু অপরাধ
বিভিন্ন বিশেষ আইনের এমন অপরাধ, যেখানে আইন First Class Judicial Magistrate/Metropolitan Magistrate-কে বিচারক্ষমতা দিয়েছে।
CrPC-এর ২৬০ ধারায় ৩২৩ ধারার hurt এবং নির্দিষ্ট সীমার চুরিসহ কিছু অপরাধ summary trial-এ Magistrate বিচার করতে পারেন।
মহানগর এলাকায়
Chief Metropolitan Magistrate → Metropolitan Magistrate
মহানগরের বাইরে
Chief Judicial Magistrate → Additional Chief Judicial Magistrate → Judicial Magistrates
৩. দায়রা আদালত — Sessions Court
গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ, যেগুলো CrPC-এর Second Schedule বা বিশেষ আইনে Sessions Court-এ বিচারযোগ্য বলা হয়েছে, সেগুলো দায়রা আদালতে বিচার হয়।
আদালতগুলো হলো—
Sessions Judge
Additional Sessions Judge
Joint Sessions Judge
বর্তমান CrPC-তে Judicial Service-এর পদ হিসেবে এই তিনটি স্তর স্বীকৃত।
উদাহরণ:
হত্যা — Penal Code 302
ডাকাতি — Penal Code 395
ডাকাতির সময় হত্যা—৩৯৬
গুরুতর robbery/dacoity offences
CrPC-এর বর্তমান তফসিলে ৩৯৫ ধারার Dacoity-কে স্পষ্টভাবে Court of Session-এ বিচারযোগ্য বলা হয়েছে। (Bangladesh Laws)
সহজভাবে:
ছোট/মাঝারি সাধারণ অপরাধ → Magistrate
গুরুতর অপরাধ → Sessions Court, তবে বিশেষ আইন থাকলে সেই বিশেষ আদালত প্রাধান্য পাবে।
৪. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর অধীন অপরাধ সাধারণত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বিচার করে।
উদাহরণ—
ধর্ষণ
ধর্ষণজনিত মৃত্যু
নারী বা শিশু অপহরণের নির্দিষ্ট অপরাধ
মুক্তিপণের জন্য নারী/শিশুকে আটক
যৌতুকের জন্য গুরুতর নির্যাতনের নির্দিষ্ট অপরাধ
আইনের ধারা ২৬ অনুযায়ী এ ট্রাইব্যুনাল গঠিত এবং ধারা ২৫ অনুযায়ী এটি বিচারের ক্ষেত্রে দায়রা আদালতের ক্ষমতা প্রয়োগ করে।
ব্যতিক্রম: আইনের কিছু নির্দিষ্ট অপরাধ বর্তমান সংশোধন অনুযায়ী First Class Magistrate-এর বিচারযোগ্য হতে পারে। তাই “নারী-শিশু সম্পর্কিত যেকোনো অপরাধই ট্রাইব্যুনালে”—এভাবে বলা ঠিক নয়।
৫. শিশু আদালত — Children’s Court
অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি আইন অনুযায়ী শিশু হয়, তার অপরাধের বিচার বিশেষ শিশু-বিচার পদ্ধতিতে হয়।
শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ১৬ অনুযায়ী প্রত্যেক জেলা সদরে শিশু আদালতের বিধান রয়েছে এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালও নিজ অধিক্ষেত্রে শিশু আদালত হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণ: ১৬ বছর বয়সী কোনো শিশু চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত হলে তাকে প্রাপ্তবয়স্ক আসামির মতো সাধারণভাবে বিচার না করে Children’s Court-এর পদ্ধতিতে বিচার করা হবে।
৬. পারিবারিক আদালত — Family Court
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৫ অনুযায়ী মূলত পাঁচ ধরনের মামলা Family Court বিচার করে—
বিবাহবিচ্ছেদ
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার
দেনমোহর
ভরণপোষণ
সন্তানের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান
উদাহরণ: স্বামী দেনমোহর পরিশোধ করছেন না → Family Court।
সন্তান কার হেফাজতে থাকবে → Family Court।
৭. অর্থ ঋণ আদালত — Artha Rin Adalat
ব্যাংক বা আইনে সংজ্ঞায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দেওয়া ঋণ আদায়ের মামলা সাধারণ দেওয়ানি আদালতে নয়, অর্থ ঋণ আদালতে হয়।
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ধারা ৫ অনুযায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ আদায়ের মামলা অর্থ ঋণ আদালতের একক এখতিয়ার।
উদাহরণ: একটি ব্যাংক কোনো ব্যবসায়ীকে ৩ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে; ঋণ খেলাপি হয়েছে → ব্যাংক অর্থ ঋণ আদালতে মামলা করবে।
৮. শ্রম আদালত — Labour Court
শ্রমিক ও মালিকের মধ্যকার শ্রম আইনসংক্রান্ত বিরোধ এবং বাংলাদেশ শ্রম আইনের নির্দিষ্ট অপরাধ শ্রম আদালত বিচার করে।
উদাহরণ—
বেআইনি চাকরিচ্যুতি
পাওনা বেতন/মজুরি
শ্রমিকের আইনগত সুবিধা
শিল্প বিরোধ
শ্রম আইনের অধীন অপরাধ
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ২১৪–২১৬ শ্রম আদালতের গঠন ও ক্ষমতা নির্ধারণ করে; আইনের অধীন অপরাধও Labour Court বিচার করে।
রায়ের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ক্ষেত্রে → Labour Appellate Tribunal।
৯. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল — Administrative Tribunal
প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী বা নির্দিষ্ট statutory public authority-এর কর্মচারীর চাকরির শর্ত, শাস্তি, পদোন্নতি, জ্যেষ্ঠতা, পেনশন ইত্যাদি বিরোধ Administrative Tribunal বিচার করে।
Administrative Tribunals Act, 1980-এর ধারা ৪ এ এর exclusive jurisdiction রয়েছে।
উদাহরণ: একজন সরকারি কর্মকর্তা মনে করেন তাকে বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে → সাধারণ Civil Court নয়, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে Administrative Tribunal।
এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে → Administrative Appellate Tribunal।
১০. দুর্নীতির মামলা — Special Judge Court
নির্ধারিত দুর্নীতিসংক্রান্ত অপরাধ Special Judge বিচার করেন।
Criminal Law Amendment Act, 1958-এর অধীন তফসিলভুক্ত অপরাধের বিচার Special Judge-এর একক এখতিয়ার।
উদাহরণ: সরকারি কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণ বা দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের মামলা → প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী Special Judge Court।
১১. সাইবার অপরাধ — Cyber Tribunal
হ্যাকিং, সাইবার প্রতারণা, সাইবার সন্ত্রাস, অনলাইন ব্ল্যাকমেইলসহ সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর বিচারযোগ্য অপরাধ সংশ্লিষ্ট Cyber Tribunal-এ বিচার হয়।
অর্থাৎ সাধারণ Facebook/online ঘটনা বলেই সব মামলা Cyber Tribunal-এ যাবে না; অভিযোগটি সাইবার সুরক্ষা আইনের কোনো অপরাধ গঠন করতে হবে।
১২. ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল — Land Survey Tribunal
জরিপের চূড়ান্ত রেকর্ড/খতিয়ানকে কেন্দ্র করে আইনে নির্ধারিত বিরোধ Land Survey Tribunal বিচার করে।
উদাহরণ: সর্বশেষ জরিপে আপনার জমি ভুলভাবে অন্যের নামে রেকর্ড হয়েছে এবং বিরোধটি State Acquisition and Tenancy Act-এর Land Survey Tribunal-এর এখতিয়ারে পড়ে → Land Survey Tribunal।
এর রায়ের বিরুদ্ধে → Land Survey Appellate Tribunal; নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সেখান থেকে leave নিয়ে Appellate Division-এ যাওয়া যায়। (BD Laws)
১৩. পরিবেশসংক্রান্ত মামলা — Environment Court
বাংলাদেশে পরিবেশ আইনের অধীনে মূলত—
Special Magistrate Court
Environment Court
Environment Appellate Court
রয়েছে।
উদাহরণ: শিল্পকারখানা বিষাক্ত বর্জ্য ফেলে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
অপরাধের প্রকৃতি অনুযায়ী Special Magistrate Court বা Environment Court বিচার করতে পারে; পরিবেশগত ক্ষতির ক্ষতিপূরণের দাবি Environment Court-এ করা যায়। (Laws of Bangladesh)
১৪. মানব পাচারের মামলা
বর্তমানে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধের জন্য মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল রয়েছে।
এই ট্রাইব্যুনাল জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার বিচারক দিয়ে গঠনের বিধান রয়েছে এবং অধ্যাদেশের অপরাধগুলো কেবল নির্ধারিত ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য।
১৫. মোবাইল কোর্ট — Executive Magistrate
মোবাইল কোর্ট কোনো সাধারণ পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি আদালতের বিকল্প নয়। Mobile Court Act-এর তফসিলভুক্ত নির্দিষ্ট অপরাধে Executive Magistrate তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারেন।
উদাহরণ—
সড়ক পরিবহণ আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধ
খাদ্য/ভোক্তা/পরিবেশসংক্রান্ত কিছু তফসিলভুক্ত অপরাধ
বালুমহাল আইনের নির্দিষ্ট অপরাধ
সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ১১৪(২) অনুযায়ী ওই আইনের অপরাধ তফসিলভুক্ত হলে Executive Magistrate মোবাইল কোর্টে বিচার করতে পারেন।
১৬. হাইকোর্ট বিভাগ
হাইকোর্ট বিভাগ শুধু “আপিল আদালত” নয়। এর Original, Appellate ও Revisional jurisdiction রয়েছে।
বিশেষ করে—
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের রিট
Company matters
Admiralty matters
নিম্ন আদালতের দেওয়ানি/ফৌজদারি আপিল ও রিভিশন
Death Reference
বিভিন্ন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের আপিল
ইত্যাদি হাইকোর্ট বিভাগে আসে। (Judiciary)
উদাহরণ: কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ আইনবহির্ভূতভাবে নাগরিকের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে → উপযুক্ত ক্ষেত্রে High Court Division-এ writ petition।
১৭. আপিল বিভাগ — Appellate Division
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত হলো Supreme Court-এর Appellate Division।
সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মূলত High Court Division-এর judgment, decree, order বা sentence-এর বিরুদ্ধে আপিল শুনে। কিছু ক্ষেত্রে আপিল অধিকার হিসেবে হয়, অন্য ক্ষেত্রে Leave to Appeal প্রয়োজন হয়। (Judiciary)
ভাইভার জন্য সবচেয়ে সহজ চার্ট
| ঘটনা | কোথায় বিচার |
|---|---|
| জমি/সম্পত্তি/চুক্তি | Civil Court |
| সাধারণ ফৌজদারি অপরাধ | Magistrate Court |
| হত্যা/ডাকাতির মতো গুরুতর সাধারণ অপরাধ | Sessions Court |
| ধর্ষণ/নারী-শিশু আইনের অপরাধ | নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল |
| শিশু আসামি | Children’s Court |
| দেনমোহর/ভরণপোষণ/সন্তানের হেফাজত | Family Court |
| ব্যাংকের ঋণ আদায় | Artha Rin Adalat |
| শ্রমিক-মালিক বিরোধ | Labour Court |
| সরকারি চাকরির service matter | Administrative Tribunal |
| দুর্নীতির নির্ধারিত মামলা | Special Judge Court |
| সাইবার অপরাধ | Cyber Tribunal |
| জরিপ রেকর্ডসংক্রান্ত বিরোধ | Land Survey Tribunal |
| পরিবেশ অপরাধ/ক্ষতিপূরণ | Special Magistrate/Environment Court |
| মানব পাচার | মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল |
| রিট | High Court Division |
| High Court-এর রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আপিল | Appellate Division |
বিসিএস ভাইভায় ৩০ সেকেন্ডের উত্তর
“স্যার, বাংলাদেশের মামলা মূলত দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতে বিচার হয়। সম্পত্তি, স্বত্ব, দখল ও চুক্তিসংক্রান্ত মামলা মূল্যমান অনুযায়ী Civil Judge, Senior Civil Judge ও Joint District Judge Court-এ; গুরুতর নয় এমন ফৌজদারি মামলা Magistrate Court এবং হত্যা-ডাকাতির মতো Sessions-triable অপরাধ Sessions Court-এ বিচার হয়। আবার বিশেষ আইনের জন্য বিশেষ আদালত রয়েছে—যেমন ধর্ষণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, পারিবারিক বিষয়ে Family Court, ব্যাংক ঋণ আদায়ে Artha Rin Adalat, শ্রম বিরোধে Labour Court, সরকারি চাকরির service matter-এ Administrative Tribunal, দুর্নীতিতে Special Judge Court এবং সাইবার অপরাধে Cyber Tribunal। রিট ও বিভিন্ন আপিল-রিভিশন High Court Division এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ে Appellate Division বিচার করে।”